Showing posts with label বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি. Show all posts

Sunday, August 30, 2015

গেরস্থালী বর্জ্যপানিকে চাষাবাদের কাজে লাগানোর প্রযুক্তি অর্জন


ইরান গেরস্থালী বর্জ্যপানিকে চাষাবাদের কাজে লাগানোর প্রযুক্তি অর্জন করেছে। ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্সি ফর সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির আওতাধীন  জৈবপ্রযুক্তি উন্নয়ন সদর দফতরের সচিব মোস্তফা কাইনেয়ি এ কথা জানিয়েছেন।

উন্নত দেশগুলোতে গেরস্থালী  বর্জ্যপানি প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থা প্রচলিত আছে। ইরান পানি বিশেষজ্ঞরা এ প্রযুক্তি নিজেরাই অর্জন করেছে বলে জানান তিনি।  খাবার পানি অপচয় ঠেকানোর লক্ষ্য এ প্রযুক্তি অর্জন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। পানি প্রক্রিয়াকরণের কাজ জড়িত জৈবপ্রযুক্তি উন্নয়ন দফতরের ইরানি বিশেষজ্ঞরা এ প্রকল্পের কাজ শেষ করেছেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, আবাসিক এলাকায়  যে বর্জ্যপানি উৎপাদিত হয় প্রক্রিয়া করণের পর তা চাষাবাদ ছাড়াও বাগান বা পার্কের গাছ-গাছড়া বা সবুজ চত্বরে পানি দেয়ার কাজে ব্যবহার করা যাবে। গাছে বা বাগানে দেয়ার জন্য ব্যাপক হারে খাবার পানি ব্যবহারের ধারা এতে ধীরে ধীরে কমে আসবে এবং এ পানির ওপর ওপর চাপও অনেক কমবে। 

তিনি বলেন, পানি রূপান্তর প্রযুক্তি ব্যবহার দ্রুততর করার জন্য তেহরান পৌরসভার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক তৎপরতা চালিয়েছে ক্যাস্পারস্কি ল্যাব!


রাশিয়ার খ্যাতনামা এন্টিভাইরাস নির্মাতা সংস্থা ক্যাস্পারস্কি ল্যাব বাণিজ্যিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক তৎপরতা চালিয়ে বলেছে অভিযোগ উঠেছে। ক্যাস্পারস্কি ল্যাব’এর সাবেক এক কর্মী এমন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন। এতে দাবি করা হয়েছে, প্রতিপক্ষের ভাইরাস শনাক্তকারী সফটওয়্যারকে রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’এর মাধ্যমে রদবদল ঘটিয়েছে ক্যাস্পারস্কি ল্যাব। ফলে কম্পিউটারের প্রয়োজনীয় ফাইলকে ভুল ভাবে শনাক্ত করেছে এবং তা মুছে ফেলেছে পরিবর্তিত এ সব সফটওয়্যার।

এন্টিভাইরাসের সফটওয়্যারের এ জাতীয় ভুল তৎপরতাকে ফলস পজিটিভ বলা হয়। আর সাধারণ ভাবে সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ক্ষেত্রে  রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং বলতে কোন প্রোগ্রামের মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে সোর্স কোড পুনরুদ্ধার করার প্রক্রিয়াকে বোঝান হয়।

সাবেক এ কর্মী দাবি করেছেন, কোনো কোনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এ জাতীয় পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ক্যাস্পারস্কি ল্যাব’এর সহপ্রতিষ্ঠাতা খোদ ইউজেন ক্যাস্পারস্কি। এ কর্মীর দাবি অনুযায়ী ক্যাস্পারস্কি ল্যাব’এর এ জাতীয় তৎপরতার শিকার হয়েছে, মাইক্রোসফট, এভিজি, অ্যাভাস্টসহ অন্যান্য এন্টি ভাইরাস নির্মাতা সংস্থা।

১০ বছরের বেশি সময় ধরে ক্যাস্পারস্কি ল্যাব এ জাতীয় তৎপরতা চালিয়েছে দাবি করে এ কর্মী আরো বলেন, ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত এ জাতীয় তৎপরতা সবচেয়ে বেশি চালানো হয়েছে।

অবশ্য ক্যাস্পারস্কি ল্যাব এ জাতীয় অভিযোগ কঠোর ভাষায় অস্বীকার করেছে। এক বিবৃতিতে ক্যাস্পারস্কি বলেন, তার কোম্পানি কখনোই প্রতিপক্ষের পণ্যের বাজারের মান খারাপ করার জন্য তাদের বিরুদ্ধে গোপন কোনো তৎপরতা চালায় নি।

অবশ্য মাইক্রোসফট, এভিজি এবং অ্যাভাস্টের নির্বাহীরা আগে বলেছেন, তাদের সফটওয়্যারকে ফলস পজিটিভে লিপ্ত করার চেষ্টা হয়েছে। একই সঙ্গে এ সব নির্বাহী স্বীকার করেছেন, তবে কারা এ জাতীয় তৎপরতায় জড়িত ছিল তা জানা নেই।#

নতুন পৃথিবী আবিষ্কারের ঘোষণা নাসার!


পৃথিবীর মত আরেকটি পৃথিবী, ভাবতেই শরীর-মন কেমন যেন করে ওঠে। কল্পবিজ্ঞান আর চলচ্চিত্রের মাধ্যমে মহাকাশে এমন পৃথিবীর দেখা মিললেও বাস্তবে তা অধরাই থেকে গেছে এই গ্রহের মানুষের কাছে। এবার মনে হয় সেই অধরা স্বপ্ন সত্যি হতে চলছে পৃথিবীবাসীর।

কারণ মহাকাশে আর একটা পৃথিবী আবিষ্কারের কথা ঘোষণা করেছে নাসা। আকার ও চারিত্রিক দিক থেকে অনেকটা পৃথিবীর মতোই এই নতুন গ্রহটি। এর নাম দেয়া হয়েছে কেপলার ৪৫২বি।

পৃথিবী থেকে ১ হাজার ৪শ’ আলোকবর্ষ দূরে মহাকাশের গভীরে রয়েছে আর একটা পৃথিবী। ভিনগ্রহে প্রাণের সন্ধান চালাতে গিয়ে এই গ্রহ ধরা পড়েছে নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপে। নতুন এই গ্রহকে পৃথিবী সদৃশ বলার বেশ কয়েকটা কারণ রয়েছে। পৃথিবী যেমন সূর্যকে কেন্দ্র করে একটা নির্দিষ্ট অক্ষপথে প্রদক্ষিণ করে চলেছে, নতুন এই গ্রহটিও নির্দিষ্ট একটি অক্ষ বরাবর একটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে। সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন, আর এই গ্রহটির নক্ষটিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৮৫ দিন।

কেপলার ৪৫২বি গ্রহটির প্রকৃতি সম্পর্কে বিশদে এখনও কিছু জানা না গেলেও, মনে করা হচ্ছে পৃথিবীর মতোই এটিও পাথুড়ে। তবে, পৃথিবীতে যে পরিমাণ পাথর রয়েছে, তার থেকে পাঁচগুণ রয়েছে কেপলার ৪৫২বি-তে। এই গ্রহটি আকারেও পৃথিবীর থেকে ৬০% বড় বলে জানিয়েছে নাসা।

ওয়াশিংটনে নাসার অ্যাসোসিয়েট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ঘোষণা করেছেন, ‘কেপলার একটি গ্রহ ও একটি নক্ষত্র আবিষ্কার করেছে যার সঙ্গে আমাদের পৃথিবী ও সূর্যের প্রচুর মিল রয়েছে। এই দুর্দান্ত আবিষ্কারের ফলে আমরা দ্বিতীয় পৃথিবী সন্ধানের পথে আরও একধাপ এগোলাম।’

Saturday, August 29, 2015

আসছে ফেসবুকের ডিজিটাল সহকারী ‘এম’


‘জেমস বন্ড’ সিরিজের মিস মানিপেনির কথা মনে আছে? এই সিরিজের ছবিগুলোতে বন্ড এবং মানিপেনির মধ্যে কিছুটা রোমান্টিক সম্পর্কের অবতারণা করা হলেও মানিপেনি মূলত জেমস বন্ডের বস এম-এর ব্যক্তিগত সহকারী। সেই ‘মানিপেনি’ ছদ্মনামে ডিজিটাল সহকারী তৈরি করছে ফেসবুক—এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে মাস খানেক আগে। তা যে শুধুই গুজব ছিল না, তার প্রমাণ মেলে ফেসবুকের হেড অব মেসেজিং প্রোডাক্ট ডেভিড মার্কাসের ফেসবুক পাতায়। বুধবারে তিনি লেখেন, ‘আজ আমরা “এম” নামের নতুন একটি সেবার পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করছি। ফেসবুক মেসেঞ্জারে ব্যক্তিগত সহকারীর ভূমিকায় এম মূলত আপনার হয়ে নানা কাজ করবে এবং তথ্য খুঁজে দেবে।’
অন্যান্য ডিজিটাল সহকারীর সঙ্গে এমের পার্থক্য, এটি শুধু তথ্য খুঁজবেই না, কাজও করে দেবে। ডেভিড মার্কাসের ভাষায়, ‘এটা পণ্য কিনবে, প্রিয়জনকে উপহার পাঠাবে, রেস্তোরাঁ খুঁজে দেবে কিংবা ভ্রমণের বন্দোবস্ত করবে।’
স্মার্টফোনভিত্তিক ডিজিটাল সহকারী তৈরিতে অ্যাপল, মাইক্রোসফট এবং গুগল বেশ আগে থেকেই কাজ করছে। সে প্রতিযোগিতায় এবার যোগ দিল ফেসবুক। তবে ফেসবুকের মূল অ্যাপ কিংবা ওয়েবসাইটে নয়, বরং এম থাকছে তাৎক্ষণিক বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ মেসেঞ্জারের একটি সেবা হিসেবে। সিরি, করটানা কিংবা গুগল নাউয়ের নেপথ্যে কাজ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। ফেসবুকের এমের বেলাতেও তাই, তবে সবকিছুর তত্ত্বাবধানে একদল মানুষ কাজ করবে। যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় উত্তর মিলবে না, রক্ত-মাংসের বাস্তব মানুষ সেই কাজগুলো করে দেবে। এ জন্য ফেসবুকের দরকার পড়বে বিশাল এক কর্মীবাহিনীর—হয়তো হাজার হাজার নতুন কর্মী নিয়োগ দিতে হবে। তবে ফেসবুকের এম মানুষের কাজের ধরন থেকে শিখে পরবর্তী সময়ে নিজেই সব কাজ করতে পারবে বলেই প্রতিষ্ঠানটির বিশ্বাস। এমের পরীক্ষামূলক সংস্করণ আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রানসিসকোতে সীমাবদ্ধ আছে। ধীরে ধীরে আরও ব্যবহারকারী এম ব্যবহারের সুযোগ পাবে। মানুষ তখন নিজের গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য আরও বেশি সময় পাবে, সে কাজে আরও মনোযোগী হতে পারবে—এমনটাই মনে করে ফেসবুক।

যারা বদলে দিয়েছে প্রযুক্তির দুনিয়া, একই সাথে পুরো পৃথিবী....

কিছুকে বদলে দেয়া সহজ নয়। আমরা প্রায়ই সমাজকে বদলে দেয়ার কথা বলি, কিন্তু সমাজের কথা বাদ দিন, নিজেকেই বদলাতে পারি ক’জন? আসুন, আজ আমরা পরিচিত হই এমন ১০টি ওয়েব সাইটের সঙ্গে যারা কেবল ইন্টারনেটকেই নয়, বদলে দিয়েছে পৃথিবীকেও।

উইকিপেডিয়া বদলে দিয়েছে তথ্য অনুসন্ধানের ধরনকে।

উইকিপেডিয়ার আগেও অনলাইন বিশ্বকোষ ছিল, তবে সেগুলোতে হয় তেমন কোনো তথ্য থাকত না, অথবা তথ্য থাকলেও পয়সার বিনিময়ে সে তথ্য পেতে হত। উইকিপেডিয়া বদলে দিল এটি, এখন আমরা যে কেবল বিনা পয়সাতেই সব বিষয়ে জানতে পারি তাই নয়, নিজেরাও হতে পারি তথ্যের জোগানদাতা আর নির্মাতা। সব মানুষের অংশীদারিত্বে তথ্যভান্ডার গড়ে তোলার মাধ্যমে তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা আর নিভুর্লতাকেও অনেকগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে উইকিপেডিয়া।

আমাজন.কম বদলে দিয়েছে পণ্য ক্রয়ের ধরন।


আমাজনের আগেও অনলাইনে কেনাকাটা ছিল, তবে আমাজনের মত ছিল না কেউই। কেবল বই আর সম্পর্কিত আইটেম বিক্রি দিয়ে শুরু করে আজ আমাজন অনলাইনে বিক্রি করছে কোটি কোটি পণ্য, হয় নিজে অথবা অংশীদারি বিভিন্ন সাইটের মাধ্যমে। এছাড়া বিক্রিত পণ্য শিপমেন্ট তথা ক্রেতার হাতে পৌছে দেয়ার যে স্ট্যান্ডার্ড আমাজন দাঁড় করিয়েছে আজ কমবেশি তাকেই অনুসরণ করছে অন্য অনলাইন রিটেইলাররা।

হটমেইল বদলে দিয়েছে ইমেইল করার ধরন।

হটমেইলের আবির্ভাবের আগে ইমেইল ব্যাপারটা ছিল একটামাত্র কম্পিউটারের সীমানাতেই বন্দী। মেইল পাঠানো বা রিসিভ করা ঐ কম্পিউটার থেকেই করতে হত। হটমেইল ওয়েব মেইলের ধারণা চালু করে এই বন্দিত্ব থেকে মুক্তি দিল আমাদের। ইন্টারনেট কানেকশন আছে এমন যে কোনো কম্পিউটার থেকেই মেইল গ্রহণ বা প্রেরণ করা সম্ভব হল। বর্তমানে হটমেইলের পথ ধরেই কাজ করে চলেছে আরো শত শত ওয়েব মেইল সেবাদাতা।

ফেসবুক বদলে দিয়েছে বন্ধুর সঙ্গে বন্ধুর সম্পর্ক আর বন্ধন।

ফেসবুকই সর্বপ্রথম সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট নয়, কিন্তু নিঃসন্দেহে ফেসবুকে এমন কিছু আছে যা অন্য কোনো সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইটে নেই। এ কারণে ফেসবুকের সদস্য সংখ্যা আজ ৪০ কোটি! কেবল বন্ধুই নয়, প্রিয় ব্যান্ড, প্রিয় নায়ক নায়িকা, প্রিয় সংগঠন বা প্রিয় দল ইত্যাদির সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষায় ফেসবুকের দিকে হাত বাড়িয়ে রেখেছে সবাই। বর্তমানে পড়ালেখা, বিনোদন, ব্যবসা বা চাকুরি সব কাজেই কোনো না কোনোভাবে ফেসবুককে ব্যবহার করছে কোটি কোটি মানুষ।

প্রজেক্ট গুটেনবার্গ বদলে দিয়েছে পড়ার ধরনকে।


প্রজেক্ট গুটেনবার্গ হচ্ছে এক বিশাল অনলাইন গ্রন্থাগার, যেখান থেকে আমরা পড়তে পারি মনের মত সব বই, বিনে পয়সায়। প্রজেক্ট গুটেনবার্গই প্রথম ই-বুক তৈরি করেছে এবং বিনে পয়সায় পৌঁছে দিয়েছে সবার কাছে। আজ কোটি কোটি মানুষ কপিরাইটের আওতামুক্ত প্রায় সব বই-ই পড়তে পারছে প্রজেক্ট গুটেনবার্গে, একাধিক ভাষায়। বলা যায়, প্রজেক্ট গুটেনবার্গের আবির্ভাব না ঘটলে ই-বুক আজকের জায়গায় পৌঁছাতে পারত না।

টুইটার বদলে দিয়েছে যোগাযোগের ধরনকে

সাম্প্রতিক সময়ে ইন্টারনেটের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে টুইটার। মাত্র ১৪০ অক্ষরের বার্তার মাধ্যমে মানুষ একে অন্যের সঙ্গে এমনভাবে যোগাযোগ করে চলেছে, আজ থেকে বছর দশেক আগে হলেও যেটাকে অবিশ্বাস্য লাগত। কেবল ব্যক্তিগত পর্যায়েই নয়, ব্যবসা বাণিজ্য বা প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে যোগাযোগকেও অন্য একটা স্তরে নিয়ে গেছে টুইটার। টুইটারে কোনো কোম্পানির কাস্টমার সার্ভিসের মান নিয়ে প্রশ্ন তুললে, দেখা যাবে খুব দ্রুত ঐ কোম্পানির পক্ষ থেকে মেসেজ এসে গেছে এবং সমস্যা সমাধানের পদক্ষেপও নেয়া হযেছে। কোটি কোটি মানুষের মন জয় করে এভাবেই এগিয়ে চলেছে টুইটার।

প্যানডোরা বদলে দিয়েছে মিউজিক অনুসন্ধান


প্যানডোরার আবির্ভাবের আগে অনলাইনে মিউজিক শুনতে হলে কোনো স্ট্রিমিং রেডিও স্টেশনে গিয়ে আগে থেকে প্রোগ্রাম করা মিউজিক শুনতে হত। এতে বেশির ভাগ সময়ই পছন্দের মিউজিক শোনা সম্ভব হত না। প্যানডোরা পাল্টে দিল এটাকে। এখন প্যানডোরায় নিজের রেডিও স্টেশন নিজেই প্রোগ্রাম করা যায়, গানের বা গায়কের নাম দিয়ে গানটা বাজাতে বললেই হল। খুব অল্প পরিমাণ ইউজার ইনপুটকে কাজে লাগিয়ে প্যানডোরা খুবই সন্তোষজনক প্লেলিস্ট তৈরি করতে পারে, যাতে প্রতিফলিত হয় শ্রোতার পছন্দ-অপছন্দ।

ইউটিউব বদলে দিয়েছে বিনোদনকে

ইউটিউব জন্ম নেয়ার আগে অনলাইনে মনের মত ভিডিও দেখার তেমন কোনো উপায় ছিল না। ইউটিউব এসেই নিজের ইচ্ছেমত ভিডিও পোস্ট করা এবং দেখার স্বাধীনতা দিল সবাইকে, ওটা কপিরাইট করা এবং দশ মিনিটের বেশি লম্বা না হলেই হল। ওয়েব ব্যবহারকারীরা বর্তমানে এক জায়গা থেকেই নিজের খেয়ালখুশিমত অনলাইনে ভিডিও দেখতে পারে। আরো অনেক কোম্পনি ইউটিউবের পদাঙ্ক অনুসরণ করায় এখন অনলাইনে ভিডিও দেখা হয়ে গেছে রীতিমত ডালভাত।

গুগল বদলে দিয়েছে সবকিছুই!

কথাটা শুনে একটু বাড়াবাড়ি মনে হতে পারে, কিন্তু এটা সত্যি। ইন্টারনেটের এমন কোনো এলাকা বাদ নেই যেখানে গুগলের হাতের ছোঁয়া পড়েনি। আপনি অনলাইনে যাই করুন না কেন, গুগলের কোনো না কোনো সার্ভিসের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ। আমরা যে যে পেশা বা অবস্থাতেই থাকি না কেন, অনলাইন দুনিয়ায় গুগলের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে বাঁচা খুবই কঠিন। ব্লগারের ব্লগ হোক, পিকাসা-ফটো অ্যালবাম হোক, হোক গুগুল সার্চ, অথবা জিমেইল ব্যবহার অথবা ইউটিউবে ভিডিও দেখা, গুগল আছে সব জায়গাতেই।

এখানে একটা মজার ব্যপার লক্ষ করেছেন হয়তবা। এদের বেশিরভাগই নতুন কোন ‍কিছু করেনি। এমন নয় যে তারা অসাধারণ কোন কিছু আবিস্কার করে বিখ্যাত হয়েছে। তারা যেটা করেছে, প্রচলিত পন্থাগুলোতেই হেটেছে, তবে নিজেদের মত করে। এটাই হতে পারে উন্নতির মূলমন্ত্র। অনেকে অনেক কিছু করে ফেলেছে। তাই বলে কি আপনি হতাশ হয়ে পড়বেন? সবাই তো সব কিছু করে ফেলেছে, আমি কি করব!

এই কথা্ বলার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক বড় এক বাজারের সামনে দাড়িয়ে আছি। আমরা যাই করি না কেন তার সাম্ভাব্য ক্রেতা বা অডিয়েন্স হাজারে নয়, লাখে নয়, শত কোটিতে। তাই যে কোনকিছু মানসম্পন্যভাবে করতে পারলে আমরা একদল অডিয়েন্স. একদল আগ্রহী মানুষ ‍পেয়ে যাই, যারা দেখতে চায়, আমরা কি করতে পারি, কতটুকু করতে পারি। প্রচলিত যে কোন কিছু আমরা আমাদের মত করে শুরু করতে পারি, একদম আমাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। নিশ্চিৎ থাকতে পারেন, একদল আগ্রহী মানুষ পেয়ে যাবেন আপনি, যারা আপনার জন্য অপেক্ষা করবে, আপনি কি করলেন, কিভাবে করলেন তা দেখবার জন্য, মানসম্পন্যভাবে করতে পারলে তারা আপনার কষ্টকে মূল্যায়িত করবে আপনার সেবা গ্রহন করে। বসে থাকা কেন? সুযোগ কি আমাদের সামনে হাত বাড়িয়ে অপেক্ষা করছে না?

adfly

Powered by Blogger.

 

© 2013 প্রযুক্তির দুনিয়া. All rights resevered. Designed by Templateism

Back To Top